November 6, 2026, 11:20 am
শিরোনাম:
তারাগঞ্জে গাছের বুকে পেরেক, নীরবে ক্ষতবিক্ষত সবুজ প্রকৃতি তারাগঞ্জে মধ্যরাতে ইউএনওর অভিযান, ১১৭ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ, কলম হোক অন্যায়-দুর্নীতির বিরুদ্ধে—তারাগঞ্জে মডেল প্রেসক্লাবের সদস্য বরণ মাদক নয়, মাঠেই গড়ুক আগামীর স্বপ্ন—তারাগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা? নাগরিকদের বাঁচার কৌশল শেখাচ্ছে ইরান হাড়িয়ারকুঠি ডাংগীরহাটের জনসাধারণের ব্যবহারের টয়লেট, নাকি ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়? গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনে প্রাণ গেল গাইবান্ধার তৌফিকের ৬ সন্তানের কেউই নিচ্ছেন না দায়িত্ব, জমি লিখে নিয়ে ৯৫ বছরের বৃদ্ধ বাবাকে গাছতলায় ফেলে গেলেন সন্তানেরা! তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড তারাগঞ্জের হাড়িয়ারকুঠি ইউপি পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব

চার স্ত্রী-সন্তানের সংখ্যা ৫৮, নামই মনে থাকে না বাবার!

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বয়স মাত্র ৫৭ বছর। অথচ এই বয়সেই ৫৮ সন্তানের বাবা আফগানিস্তানের মোহাম্মদ সাদিক। চার স্ত্রীর ঘরে জন্ম নেওয়া এসব সন্তানের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠটির বয়স মাত্র কয়েক সপ্তাহ। বিশাল এই পরিবারের দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে প্রতিদিনই নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন তিনি। এমনকি কখনো কখনো নিজের সব সন্তানের নামও মনে করতে পারেন না সাদিক।

আফগানিস্তানের উরুজগান প্রদেশের বাসিন্দা মোহাম্মদ সাদিকের পরিবার দেশটির অন্যতম বড় পরিবার হিসেবে আলোচনায় এসেছে। এত বড় পরিবারের সদস্যদের খাবার, পানীয় ও অন্যান্য প্রয়োজন মেটাতে প্রতিদিনই হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে।

সাদিকের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিবারের অধিকাংশ সময় ও প্রচেষ্টা ব্যয় হয় সন্তানদের প্রতিদিনের খাবার ও পানীয়ের ব্যবস্থা করতে। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে পরিবারের ছোট সন্তানদেরও কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।

চার স্ত্রী, ৫৮ সন্তান

সাদিকের চার স্ত্রীর প্রত্যেকেই বছরের পর বছর গর্ভধারণ, সন্তান জন্মদান ও লালন-পালনের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সাদিক জানান, বিয়ের সময় তার চার স্ত্রীর বয়স ছিল মাত্র ১৩ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে।

এত বড় পরিবারের দৈনন্দিন জীবন পরিচালনা করা যেমন কঠিন, তেমনি প্রত্যেক সন্তানের খোঁজখবর রাখা ও তাদের প্রয়োজন পূরণ করাও বড় দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রাতে ঘুমানোর আগে সন্তান গুনে দেখেন বাবা

নিজের বিশাল পরিবার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সাদিক হাসতে হাসতে জানান, কখনো কখনো তিনি সব সন্তানের নামও মনে রাখতে পারেন না। তাই প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সন্তানদের গুনে দেখেন, সবাই বাড়িতে ফিরেছে কি না তা নিশ্চিত করতে।

৫৮ সন্তানের বাবা হিসেবে তার এই অভিজ্ঞতা যেমন ব্যতিক্রমী, তেমনি এত বড় পরিবারের ভরণপোষণ ও শিশুদের যথাযথভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ নিশ্চিত করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

আফগানিস্তানের মোহাম্মদ সাদিকের পরিবার তাই শুধু সন্তানের সংখ্যার কারণেই নয়, বরং এত বড় পরিবারের দায়িত্ব সামলানোর বাস্তবতা নিয়েও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা