November 5, 2026, 9:57 am
শিরোনাম:
পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা? নাগরিকদের বাঁচার কৌশল শেখাচ্ছে ইরান হাড়িয়ারকুঠি ডাংগীরহাটের জনসাধারণের ব্যবহারের টয়লেট, নাকি ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়? গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনে প্রাণ গেল গাইবান্ধার তৌফিকের ৬ সন্তানের কেউই নিচ্ছেন না দায়িত্ব, জমি লিখে নিয়ে ৯৫ বছরের বৃদ্ধ বাবাকে গাছতলায় ফেলে গেলেন সন্তানেরা! তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড তারাগঞ্জের হাড়িয়ারকুঠি ইউপি পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব তারাগঞ্জে একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে মন্দ্রিরা রানী মেয়ের জীবন বাঁচাতে নিজের একটি কিডনি দান করলেন সাংবাদিক সুয়েজ তারাগঞ্জে জাতীয় যুবদিবস উদযাপন সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দাবিবিহীন দলিল ধ্বংসের উদ্যোগ, সংগ্রহে সময় এক মাস

ভাইরাল ৮০ ও ৯০ দশকের লুক ছবি তৈরি করবেন যেভাবে

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রযুক্তি ও ফ্যাশনের দ্রুত পরিবর্তনের মধ্যেও পুরোনো দিনের স্মৃতি মানুষের মনে এখনো বিশেষ জায়গা দখল করে আছে। সেই নস্টালজিয়াকেই নতুন মাত্রা দিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্তমানে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি ৮০ ও ৯০ দশকের রেট্রো লুকের ছবি। সাধারণ ব্যবহারকারীর পাশাপাশি তারকারাও নিজেদের বর্তমান ছবিকে এআইয়ের সাহায্যে রূপান্তর করে দেখছেন, কয়েক দশক আগে তাদের দেখতে কেমন লাগতে পারত।

পুরোনো দিনের আবহে নতুন ছবি

এআইয়ের তৈরি এসব ছবিতে ফুটে উঠছে ৮০ ও ৯০ দশকের স্টুডিও পোর্ট্রেটের আবহ। ৩৫ মিমি ফিল্মের দানা, উষ্ণ রঙ, নরম ফ্ল্যাশ, পুরোনো স্টুডিওর ব্যাকগ্রাউন্ড এবং সে সময়ের পোশাক ও হেয়ারস্টাইল ছবিগুলোকে দিচ্ছে বাস্তবসম্মত রেট্রো অনুভূতি। ডেনিম জ্যাকেট, উচ্চ কোমরের জিনস, ভিনটেজ মেকআপ, বড় কানের দুল ও রঙিন অলংকারও এসব ছবির অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

চ্যাটজিপিটি বা অন্য এআই টুলে যেভাবে তৈরি হচ্ছে

নিজের রেট্রো ছবি তৈরি করতে প্রথমে ChatGPT, Midjourney বা অন্য কোনো ছবি তৈরির এআই টুলে একটি পরিষ্কার ছবি আপলোড করতে হয়। এরপর কোন দশকের পোশাক, চুলের ধরন, ব্যাকগ্রাউন্ড, আলো ও ছবির আবহ চান—তা স্পষ্টভাবে প্রম্পটে উল্লেখ করতে হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী এআই মূল ছবির পরিচয় ও মুখের বৈশিষ্ট্য ধরে রেখে কাঙ্ক্ষিত রেট্রো লুক তৈরি করতে পারে।

ব্যবহার করা যেতে পারে এমন প্রম্পট

> “আমার আপলোড করা ছবির মুখের গঠন ও পরিচয় অপরিবর্তিত রেখে আমাকে ১৯৮০-এর দশকের একটি বাস্তবসম্মত স্টুডিও পোর্ট্রেট হিসেবে তৈরি করুন। ৩৫ মিমি ফিল্মের দানা, উষ্ণ রঙ, নরম ফ্ল্যাশ, তৎকালীন হেয়ারস্টাইল ও পোশাক, পুরোনো স্টুডিওর ব্যাকগ্রাউন্ড এবং প্রাকৃতিক মুখের অভিব্যক্তি থাকবে। ছবিটি যেন পুরোনো ফিল্ম ক্যামেরায় তোলা আসল ছবি মনে হয়।”

 

এভাবেই ব্যবহারকারীরা নিজেদের পছন্দের দশক, পোশাক, হেয়ারস্টাইল ও পরিবেশ নির্ধারণ করে কয়েক দশক আগের নস্টালজিক আবহে ছবি তৈরি করতে পারছেন। প্রযুক্তির এই নতুন প্রবণতা একদিকে যেমন পুরোনো দিনের স্মৃতিকে ফিরিয়ে আনছে, অন্যদিকে সৃজনশীল ছবি তৈরিতে এআইয়ের নতুন সম্ভাবনাও তুলে ধরছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা