মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা যায়, কোথাও প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে, আবার কোথাও চলছে মণ্ডপ নির্মাণ ও আলোকসজ্জার প্রস্তুতি। দিন-রাত পরিশ্রম করে প্রতিমায় শেষ মুহূর্তের কাজ করছেন কারিগররা।
উপজেলা সূত্রে জানা গেছে, এবার আলমপুর ইউনিয়নে ৫টি, কুর্শায় ১৯টি, ইকরচালীতে ১২টি, হাড়িয়ারকুঠিতে ১২টি এবং সয়ার ইউনিয়নে ১৫টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
আয়োজকদের তথ্যমতে, আগামী ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমীর ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২১ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী উৎসবের সমাপ্তি হবে।
তারাগঞ্জ উপজেলা দুর্গোৎসব উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পাপন দত্ত বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আমাদের দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। তারাগঞ্জে সব ধর্মের মানুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ অটুট রেখে আমরা উৎসব উদযাপন করতে চাই।
তিনি বলেন, পূজামণ্ডপে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। কোনো ধরনের গুজব, অপ্রীতিকর ঘটনা বা উসকানিতে কান না দিয়ে সম্প্রীতি ও শান্তির পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও তারাগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্দিরে মণ্ডপ নির্মাণ, সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জার কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিমা তৈরির পাশাপাশি পূজার অন্যান্য প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, পূজা উদযাপন কমিটি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এবারের দুর্গোৎসব সম্পন্ন হবে।