November 6, 2026, 10:58 am
শিরোনাম:
তারাগঞ্জে গাছের বুকে পেরেক, নীরবে ক্ষতবিক্ষত সবুজ প্রকৃতি তারাগঞ্জে মধ্যরাতে ইউএনওর অভিযান, ১১৭ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ, কলম হোক অন্যায়-দুর্নীতির বিরুদ্ধে—তারাগঞ্জে মডেল প্রেসক্লাবের সদস্য বরণ মাদক নয়, মাঠেই গড়ুক আগামীর স্বপ্ন—তারাগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা? নাগরিকদের বাঁচার কৌশল শেখাচ্ছে ইরান হাড়িয়ারকুঠি ডাংগীরহাটের জনসাধারণের ব্যবহারের টয়লেট, নাকি ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়? গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনে প্রাণ গেল গাইবান্ধার তৌফিকের ৬ সন্তানের কেউই নিচ্ছেন না দায়িত্ব, জমি লিখে নিয়ে ৯৫ বছরের বৃদ্ধ বাবাকে গাছতলায় ফেলে গেলেন সন্তানেরা! তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড তারাগঞ্জের হাড়িয়ারকুঠি ইউপি পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ডিলারের গুদাম ভেঙে ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে গেল বিক্ষুব্ধ কৃষকেরা

Reporter Name

 

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সার না পেয়ে ক্ষুব্ধ কৃষকেরা জোট বেঁধে এক সার ডিলারের গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন। বাকি সার উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকে দুই শতাধিক কৃষক সার কেনার জন্য ডিলার পয়েন্টে জড়ো হন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও ডিলার পয়েন্ট না খোলায় কৃষকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারা গুদামের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে সার নিয়ে যেতে শুরু করেন। এ সময় প্রায় ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শাহ আমানত ট্রেডার্সের মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণে গড়িমসি করেন। সংশ্লিষ্ট ডিলারের মোট বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩২০ বস্তা সার। ঘটনার সময় গুদামে প্রায় ৩৪০ বস্তা সার মজুদ ছিল বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং গুদামে থাকা বাকি সার রক্ষা করে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দেন। অন্য সার উদ্ধারে অভিযান ও যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিমুদ্দিন বলেন, ওই ইউনিয়নে সারের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা। বিপরীতে মোট বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩২০ বস্তা এবং উত্তোলনও ছিল আরও কম। ফলে কৃষকদের মধ্যে সার না পাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। এ কারণেই তারা গুদাম থেকে সার নিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তিনি আরও বলেন, মোট ১৯৭ বস্তা সার কৃষকেরা নিয়ে গিয়েছিলেন। এর মধ্যে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন। বাকি সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা