August 5, 2026, 4:18 pm
শিরোনাম:
সংঘর্ষের জেরে বেরোবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বহিরাগত ও যানবাহন প্রবেশ নিষিদ্ধ ডিবির ভয় দেখিয়ে রাতভর জিম্মি, এক লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ; তারাগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ ভারত থেকে ২ হাজার ৯০০ টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি তারাগঞ্জে শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা “জনগণের অধিকারই হবে অগ্রাধিকার”—মমিনপুরে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন প্রদীপ চন্দ্র রায় তারাগঞ্জের হাড়িয়ারকুঠি ইউপিতে বিভাগীয় পরিচালকের পরিদর্শন, নতুন অ্যাম্বুলেন্সের উদ্যোগের আশ্বাস সময় বাড়ল ফ্যামিলি কার্ডে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে;২৮ জুলাই পর্যন্ত আবেদন, ৩০ জুলাই প্রকাশ হবে চূড়ান্ত তালিকা গঙ্গাচড়ায় আগুনে পুড়ে চার গরু ও বসতঘর ছাই, নিঃস্ব দিনমজুর পরিবার তারাগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত ব্যবসার লোকসান ও ঋণের চাপ, শেষ পর্যন্ত প্রাণ হারালেন যুবক

রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কে প্রাণ গেল নারীর, সিআইডির সহায়তায় মিলল পরিচয়

Reporter Name

তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি:রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার খিয়ার জুম্মা এলাকায় রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের পর সিআইডির সহায়তায় তাঁর পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত কোনো যানবাহনের ধাক্কায় ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে স্থানীয়দের দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মহাসড়ক থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ মরদেহটি নিজেদের হেফাজতে নিয়ে পরিচয় শনাক্তের কার্যক্রম শুরু করে। সিআইডি রংপুরের সহায়তায় নিহত নারীর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। তিনি নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার ৩ নম্বর আজিজ রোড এলাকার বাসিন্দা মোছা: কামরুন্নাহার। তাঁর পিতা মো. আব্দুল কাফি এবং মাতা মোছা:রেজিয়া বেগম।

তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে অজ্ঞাত কোনো যানবাহনের ধাক্কায় ওই নারী গুরুতর আহত হন। পরে ফায়ার সার্ভিস তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে হাইওয়ে থানায় আনা হয়। পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর নিহতের স্বজনরা থানায় এসে মরদেহ গ্রহণ করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা রুজু করে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা