November 6, 2026, 10:49 am
শিরোনাম:
তারাগঞ্জে গাছের বুকে পেরেক, নীরবে ক্ষতবিক্ষত সবুজ প্রকৃতি তারাগঞ্জে মধ্যরাতে ইউএনওর অভিযান, ১১৭ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ, কলম হোক অন্যায়-দুর্নীতির বিরুদ্ধে—তারাগঞ্জে মডেল প্রেসক্লাবের সদস্য বরণ মাদক নয়, মাঠেই গড়ুক আগামীর স্বপ্ন—তারাগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা? নাগরিকদের বাঁচার কৌশল শেখাচ্ছে ইরান হাড়িয়ারকুঠি ডাংগীরহাটের জনসাধারণের ব্যবহারের টয়লেট, নাকি ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়? গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনে প্রাণ গেল গাইবান্ধার তৌফিকের ৬ সন্তানের কেউই নিচ্ছেন না দায়িত্ব, জমি লিখে নিয়ে ৯৫ বছরের বৃদ্ধ বাবাকে গাছতলায় ফেলে গেলেন সন্তানেরা! তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড তারাগঞ্জের হাড়িয়ারকুঠি ইউপি পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব

তারাগঞ্জে জাটকা বিক্রির দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা

Reporter Name

 

বুলবুল হোসেন, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি:
রংপুরের তারাগঞ্জে নিষিদ্ধ জাটকা মাছ বিক্রির দায়ে গজেন্দ্র নাথ নামে এক মাছ ব্যবসায়ীকে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে তারাগঞ্জ মাছ বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় জাটকা মাছ বিক্রির অপরাধে গজেন্দ্র নাথ, পিতা-চৈতা নাথ, সাং-তারাগঞ্জ, রংপুরকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০-এর সংশ্লিষ্ট বিধান লঙ্ঘনের দায়ে তাকে ১ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন তারাগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উম্মে হাবিবা সিদ্দিকা।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা বলেন, “জাটকা নিধন ও বিক্রি মৎস্যসম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি। জাটকা সংরক্ষণে আইন অনুযায়ী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। নিষিদ্ধ জাটকা মাছ ধরা, পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, জাটকা রক্ষা করা গেলে ভবিষ্যতে নদী ও জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বাড়বে। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ মাছ বিক্রি বন্ধে এমন অভিযান নিয়মিত পরিচালনার দাবি জানান তারা।

স্থানীয় এক মাছ ক্রেতা বলেন, “জাটকা রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। বাজারে অভিযান হওয়ায় আমরা স্বস্তি পেয়েছি। এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে নিষিদ্ধ মাছ বিক্রির প্রবণতা কমবে এবং মাছের উৎপাদনও বাড়বে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা আরও বলেন, শুধু জরিমানা নয়, জাটকা নিধন ও বিক্রির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়মিত বাজার তদারকি করা প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা