September 23, 2026, 12:32 pm
শিরোনাম:
বদরগঞ্জে স্বামী-শাশুড়ির হাতে গৃহবধূ খুন রংপুরে কাবাডির লড়াইয়ে তারাগঞ্জ থানার জয় দেশে ডিজেল,পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম বাড়ল লিটারে ২০ টাকা ন্যাম ভবনে ঝুলছিল এমপি নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মরদেহ হাড়িয়ারকুঠিতে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে ১১ জনের ফরম সংগ্রহ ছবি তুলতে মায়ের আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল অপ্রতিম, ফিরল লাশ হয়ে তিতাসের ২৮ নম্বর কূপে নতুন প্রাণ, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস রংপুর সদর কোতয়ালী থানায় নতুন ওসি আতাউর রহমান গ্রাম আদালতের সালিশে জমি বিরোধের শান্তিপূর্ণ অবসান পুলিশের তৎপরতায় নিখোঁজ হাসিবকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

এসএসসির ফলাফলে জানপুর মুন্সির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮৮.৩৮%—জিপিএ-৫ পেল ১৬ জন

Reporter Name

রংপুর প্রতিনিধি:রংপুর সদর উপজেলার প্রত্যন্ত পল্লী এলাকার জানপুর মুন্সির হাট উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে আবারও সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির ৮৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়ে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের সামগ্রিক ফলাফলের তুলনায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

চলতি বছর বিদ্যালয়টি থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য মোট ২৪১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত হয়। তাদের মধ্যে ২৩৮ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। অনুপস্থিত ছিল ৩ জন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে ২১৩ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়টির পাসের হার ৮৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বোর্ডের সামগ্রিক পাসের হার যেখানে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ, সেখানে জানপুর মুন্সির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের পাসের হার ৮৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ। বোর্ডের গড় ফলাফলের চেয়ে প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি পাসের হার অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি সাফল্যের আলোচনায় এসেছে।

স্থানীয়ভাবে জানা যায়, জানপুর মুন্সির হাট উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছর পর ১৯৯৭ সালে বিদ্যালয়টি থেকে প্রথমবারের মতো এসএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায়ও বিদ্যালয়টি রংপুর সদর উপজেলার মধ্যে ভালো ফলাফল অর্জন করে আসছে।

প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আ: মমিন চৌধুরী লাল বলেন,আলহামদুলিল্লাহ। সর্বপ্রথম মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। এবারের ফলাফলে আমরা, প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা অত্যন্ত আনন্দিত। আমাদের প্রতিষ্ঠানটি রংপুর সদর উপজেলার একেবারে শেষপ্রান্তের পল্লী এলাকায় অবস্থিত। আমরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে থাকি। এ সাফল্যের পেছনে শিক্ষকদের নিরলস পরিশ্রম রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সুনাম ধরে রাখতে তারা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। আমি সব শিক্ষককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত হলেও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষকদের আন্তরিকতা, অভিভাবকদের সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রমের সমন্বয়েই এবারের ভালো ফলাফল সম্ভব হয়েছে।

এদিকে বিদ্যালয়ের এমন সাফল্যে শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানাচ্ছেন স্থানীয়রা। প্রত্যন্ত পল্লীর একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এমন ফলাফল অর্জনকে এলাকার শিক্ষাব্যবস্থার জন্যও ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা