
উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমানের নেতৃত্বে সড়কটির বিভিন্ন অংশে ডিজিটাল সার্ভে করা হয়। এ সময় সড়কের বর্তমান অবস্থা, ক্ষতিগ্রস্ত অংশসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ ও ভাঙাচোরা অংশের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের অবস্থা এতটাই খারাপ যে যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে এ ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।
পাগলাপীর, লাহিড়ীহাটসহ আশপাশের এলাকার মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহনের জন্যও সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে।
সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া এবং ডিজিটাল সার্ভে সম্পন্ন হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে সংস্কারকাজ শুরু করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে টেকসই ও মানসম্মতভাবে কাজ সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সড়কটি সংস্কার হলে পাগলাপীর–লাহিড়ীহাট রুটে যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ হবে। পাশাপাশি যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে গতি আসার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটবে।